Skip to main content

কবর জিয়ারত

প্রিয় মা জননী, পৃথিবীর সকল মায়ার বন্ধন ছিন্ন করে মহান প্রভুর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেছেন সেই ২০১২ সালে। তখন আমি একটি কোম্পানীতে চাকুরীরত ছিলাম।

মৃত্যু এমন একটি বিষয় যা প্রত্যেককেই আশ্বাধন করতে হয়। রাজা, প্রজা, ধনী, গরীব, কৃষক, শ্রমিক কামার, কুমার কাউকে সে ছাড় দিতে রাজি নন। এই মৃত্যুর সিদ্ধান্ত হয় আকাশে। পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে, “প্রত্যেক জীবকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।”

মানুষ জন্মের পূর্বেই তার সম্পর্কে লিখিত রয়েছে সে কবে জন্মগ্রহণ করবে আর কখন সে মৃত্যুবরণ করতে হবে। সুতরাং এই মৃত্যু প্রত্যেক জীবের জন্য চির সত্য একটি বাণী। সুতরাং এ থেকে পালানোর কোন সুযোগ নেই।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম মৃত্যুকে বেশি বেশি স্বরণ করতে বলেছেন। এই মৃত্যুর স্বরণ মানুষকে পঙ্কিলতায় পরিপূর্ণ সমাজে পূর্ন্যের পথে চলতে উদ্দিপনা যোগায়। যে বা যারা মৃত্যুকে ভুলে যায় তারা সহজেই অপকর্মে লিপ্ত হতে ভয় পায় না, ন্যায়-অন্যায়ের তোয়াক্কা করে না, জুলুমের আর শোষণের রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত করে ফেলে। আর মৃত্যুর স্বরণ সেগুলোকে নিভৃত করে দেয়। অসৎ মনোভাবনা বিলুপ্ত করে।

দুনিয়ার প্রতি বেশি লোভ লালসা মানুষ অন্ধ করে দেয়। দুনিয়ার স্ত্রী, সন্তান, সম্পদের আধিক্য মানুষকে মৃত্যুর কথা ভুলিয়ে দেয়।

আর তাই প্রত্যেকেরই উচিত, নিকতাত্মীয়দের কবর বেশি বেশি জিয়ারত করা। কবর জিয়ারতে মৃতব্যক্তির জন্য মাগফেরাত কামনা করা, মৃত ব্যক্তির ভালো কাজগুলো কবুলের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা এবং ভুলভ্রান্তিগুলো মাফ করে দেওয়ার কথা মোনাজাতে উল্লেখ করা। সেই সাথে সাথে নিজেকে েইসলামে পূর্ণ বিশ্বাসের সাথে, সঠিকভাবে ইসলামের সকল হুকুম আহকাম মেনে চলার তৌফিক কামনা করা।

Comments