Skip to main content

সন্ত্রাসের নেই কোন ধর্ম

পৃথিবীতে কোন ধর্মই কোন প্রাণীকে অন্যায়ভাবে হত্যার অনুমতি দেয় না। কিন্তু বর্তমানে আমরা শুনতে পাই। সে বন্দুকধারী আবার কেই জঙ্গীবাদী। আসলে তাদের পরিচয় মূলত একটিই; তাহলো তারা খুনী, অপরাধী, হত্যাকারী নির্মমতার দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী।

ইদানিং আমরা শুনি আইএস; অনেকেই এটাকে ইসলামিক  স্টেট আবার অনেকেই তাদের ইসরাইল স্টেটও বলে থাকে। যাই হোক এটা জাস্ট কথার জন্য কথা। মূলত: তারা কিন্তু সন্ত্রাস। তাদের নেই কোন ধর্ম। তারা মানবতার প্রধান শত্রু।

পৃথিবীতে সর্বোৎকৃষ্ট কাজ হলো- মানবতার উন্নয়ন সাধনে কাজ করা। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। কেউ সামান্য কোন অজুহাতে আইনকে নিজ হাতে তুলে নিতে পারে না। আবার আইনও কারো পক্ষপাতিত্ব করতে পারে না। আইনের কাজকে সহায়তা যারা করেন তাদের উচিত জীবন শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও অন্যায়কে প্রশ্রয় না দেওয়া। কারণ তাদের কাছে বিশাল একটি আমানত রয়েছে।

আজকাল একটি বিষয় লক্ষণীয় নিজের অপরাধকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য অপরকে দোষারূপ করার প্রবণতা অত্যাধিক পরিমানে বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্রাম-শহর কিংবা শহরতলী কোন স্থানেই এটার পরম চর্চা করা হতে পিছুটান পরিলক্ষিত হচ্ছে না।

আজও একটি নিউজ পড়ে মনটা খুবই ভারাক্রান্ত হয়ে গেলো। যারা ধর্ষণকারী সেই চিহ্নিত আসামী জামিনে মুক্তি পেয়েছে। অপরদিকে টিকেট কাউন্টারে একজনকে ধর্ষণ করা হয়েছে। আবার সেই মূল আসামীকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। কিন্তু সেও হয়তো একটা জামিনে বের হয়ে যাবে। আর নির্যাতিত সেই বোনটি বা মা’টি আর এই সমাজ জীবনে স্বাভাবিক জীবনে সক্ষম হবে না।

অপরাধী সে যেই হোক না কেন। তার যথাযথ শাস্তি দিতেই হবে। কারণ এটার ব্যতায় ঘটলে সমাজে বিশৃংখলা সৃষ্টি হবেই। মহান প্রভুর কাছে আজকের বিচারপতিরা কী জবাব দেবেন! আমার তো ভয় হয়, প্রভুর দরবারে জবাবদিহিতার পরিবেশটার জন্য। লজ্জার কোন শেষ থাকবে না, জানা-অজানা কত শত ভুল-ভ্রান্তিই না করে ফেলেছি! হে প্রভু তুমি সকল অপরাধ মার্জ করে দিও। বিচার দিবসে যেদিন তোমার ক্ষমতা ছাড়া সবাই ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি করবে। সেদিন তুমি আমাদের লাঞ্চিত করো না।

সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ তুমি আমাদের করেছো। আমাদের তুমি কর্মেও সেরা করো। 

Comments