Skip to main content

একটি অনুধাবন

বর্তমান সমাজে যারা বসবাস করছেন তাদের মাঝে একটি সাধারণ বিষয় লক্ষ্য করা গেছে; তাহলো-অধিকাংশ লোকই উচ্চাভিলাসী। এর কারণ কী?

আসুন একটু অনুসন্ধ্যান করি-
১. গল্প-উপন্যাস
২. মঞ্চ নাটক
৩. পথ নাটক
৪. সিনেমা
৫. টিভি নাটক
৬. ভারতীয় অতি সাংস্কৃতিক মনোভাবাপন্ন সিনেমা
৭. দেশীয় সাংস্কৃতিক
৮. টেলিফিল্ম
৯. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ক. ফেসবুক
খ. টুইটার
গ. ইন্সটাগ্রাম
ঘ. পিনটারেস্ট
ঙ. ভিগো
চ. ইউটিউব

আর কী হতে পারে আপনারা চিন্তা করুন; আমি বরং সামনের দিকে এগুলো নিয়ে একটু বিশ্লেষণ করি-
একটা সময় ছিল মানুষ গল্প উপন্যাস নিয়ে বেশি মাতামাতি করতো। তাও সেটা ছিল খুবই কম মানুষের মধ্যে। কারণ তখন খুব কম সংখ্যক লোকই পড়াশুনা করতো। আমরা দেখতাম বা লোক মুখে শুনতাম যারা একটু কবি কবি ভাব তাদের লেবাস একটু  ব্যাতিক্রম। যেমন- তাদের মাথার চুলগুলো থাকতো বাবরীওয়ালা বা লম্বা লম্বা কিংবা অনেকদিন পর পর তারা সেভ করতো। দাঁড়ি গোফে একাকার হয়ে যেত। যেমন-আমরা দেখতে পাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, বর্তমানেও দেখা যায় একজনকে।

গল্প উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু অনুসন্ধ্যান করলে দেখা যায় সেটাতে আছে কোন না কোন নারী কেন্দ্রিক আলোচনা। আবার এই নারী নিয়েই বা নারী কেন্দ্রিক ঘটনা আবর্তিত হয়।

মঞ্চ নাটক,  সিনেমা পথ নাটক এগুলোতে দেখা যায় একই কাহিনী। অর্থ্যাৎ নারী কেন্দ্রিক। বর্তমানে টিভি নাটকগুলো বা সিনেমাগুলোতে দেখা যায় একজন নায়ক বা নায়িকা হঠাৎ সামান্য সময়ের ব্যবধানে ধনসম্পদের মালিক হয়ে যাচ্ছেন বা গাড়ি বাড়ীর মালিক হয়ে  যাচ্ছেন।

অবাস্তব কাজগুলো বা ঘটনাগুলো মানুষের মনে যখন ব্যাপক প্রভাব বিস্তার লাভ করে; তখন তারা যখন সেই সিনেমার কাহিনীর সাথে নিজেকে সামনে রাখেন তখন তারা অল্পতেই হতাশ হয়ে যান। হতাশা নেমে আসে তাদের জীবনে।

চলবে............

Comments